Breaking News
Home / অর্থনীতি / আন্তর্জাতিক বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম নিম্নমুখী

আন্তর্জাতিক বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম নিম্নমুখী

আন্তর্জাতিক বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম নিম্নমুখী অবস্থানে রয়েছে। বিশ্ববাজারে গত ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ভোজ্যতেল, চাল, চিনি, গম ও সোনার দাম কমেছে।

অপরদিকে একই সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। বেশিরভাগ পণ্যের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে বাংলাদেশের মতো সেসব দেশ যারা এগুলো আমদানি করে চাহিদা মেটায়। বিশ্বব্যাংকের এক সূচকে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতি মাস শেষে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান প্রধান পণ্যের দামের হিসাব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। এতে বিশ্বের প্রধান প্রধান বাজারের চিত্র তুলে ধরা হয়। মার্চের পণ্যের দামের প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, মার্চে আগের মাসের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম কমেছে। যদিও এ সময় জ্বালানি জাতীয় পণ্যের গড়দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। অপরদিকে জ্বালানিবহির্ভূত পণ্যের দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। কৃষি খাদ্যজাত পণ্যের গড়দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। আর ধাতব ও খনিজ পণ্যের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির বিষয়। বিশেষ করে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বাজারেও এর বেশি প্রভাব পড়ে।

রমজানে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের চাহিদা অনেক বাড়তি থাকে। সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেশি থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব দেশের বাজারে পড়তে বাধ্য। কারণ বাংলাদেশ ভোজ্যতেল, চিনি ও জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করছে। বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের দাম নিম্নমুখী থাকলে স্বাভাবিকভাবে আমদানি খরচ কমবে। দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে পাম তেলের দাম টনপ্রতি ছিল ৬০৩ মার্কিন ডলার, তা মার্চে ৩০ ডলার কমে ৫৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সয়াবিন তেলের দামও কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে সয়াবিন তেলের দাম টনপ্রতি ৭৭৩ ডলার ছিল, তা মার্চে ২৩ ডলার কমে ৭৫০ ডলারে অবস্থান করে।
সংস্থাটি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ফেব্রুয়ারিতে চিনির দাম প্রতি টন ছিল ২৯০ ডলার, মার্চে তা ১০ ডলার কমে ২৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে চালের দাম কিছুটা কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে থাইল্যান্ডে প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম ছিল ৪০৮ ডলার, যা মার্চে ২ ডলার বেড়ে ৪০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ২৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম প্রতি টন ২ ডলার কমে ৪০১ থেকে ৩৯৯ ডলার হয়েছে। একই সময় গমের বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ গমের দাম ফেব্রুয়ারিতে ছিল টনপ্রতি ২১৭ ডলার ২ সেন্ট, তা মার্চে ১৮ ডলার ৯ সেন্ট কমে ১৯৮ ডলার ৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১৯ ডলার কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে মূল্যবান ধাতুটির দাম ছিল প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩২০ ডলার, মার্চে তা কমে ১ হাজার ৩০১ ডলারে অবস্থান করে।

About dhaka crimenews

Check Also

বোরহানকে গ্রেফতারে রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ

রূপালী ব্যাংকের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড পাওয়া পলাতক আসামি আবু বোরহান ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *