Breaking News
Home / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একদিনও পিছিয়ে যাবে না

ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একদিনও পিছিয়ে যাবে না

বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে ফাইভজি চালু করার চিন্তাই করেনি, সেখানে বাংলাদেশ ফাইভজির সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে এমনকি ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একদিনও পিছিয়ে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

পহেলা এপ্রিল সোমবার গাজীপুরে টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজে ৬৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি প্রযুক্তি চালুর ক্ষেত্রে বিশ্বে অন্য দেশ থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে ফাইভজি চালু করার চিন্তাই করেনি, সেখানে বাংলাদেশ ফাইভজির সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।

ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একদিনও পিছিয়ে যাবে না। ২০২১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ফাইভজি চালু করা সম্ভব হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তখন ইন্টারনেটের গতি হবে ২০ জিবিপিএস। যা দিয়ে অসাধ্য সাধন করতে সক্ষম হবে দেশের তরুণ সমাজ।

প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা জ্ঞান অর্জন অথবা প্রশিক্ষণ ক্লাশরুমে সীমিত থাকবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন রূপান্তরিত পৃথিবীতে প্রযুক্তির প্রয়োগ জনগণের কাছে পৌঁছানোই হবে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রযুক্তিতে পরিবর্তন অনিবার্য, কর্মজীবনে এ পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়াতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না। প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নবীনদের সামনের কর্মজীবনের জন্য নিজেদের তৈরি করতে এবং প্রযুক্তি প্রয়োগে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, সামনের যুগটা মেধা ও জ্ঞানের। নিজেদের জীবনের চ্যালেঞ্জ নিজেদেরই নিতে হবে। পৃ

থিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞান ভাণ্ডার ইন্টারনেট। জ্ঞানের জন্য যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করবে না ৫ বছর পর ব্যর্থতার দায় তাদের নিজেদেরই বহন করতে হবে।

জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশে ২৭৬০টি সেবা ডিজিটাল করা দরকার। এর মধ্যে ৯৬০টি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন। স্মার্টফোনেই জনগণ ঘরে বসেই এসব সেবা পাবেন। দেশে শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। ৫ বছরে বই, খাতা, চক, ডাস্টার থাকবে না, ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিস্থাপিত হবে। হাতের স্মার্টফোন দিয়েই আগামী ৫ বছরের মধ্যে টাইপের কাজ করা যাবে, বাংলায় কথা বললে বিদেশি শ্রোতারা তা কনভার্ট করে নিজ ভাষায় শুনতে পাবেন। ভাষার ক্ষেত্রে আমরা এ জায়গায় পৌঁছানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি উল্লেখ করেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।

মোস্তাফা জব্বার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘৫ বছরের ভেতর যদি ডিজিটাল সরকার চালানোর যোগ্যতা আপনারা অর্জন করতে না পারেন তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতি সামলানো আপনাদের জন্যই কঠিন হবে’। টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজের মহাপরিচালক খান আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিবুর রহমান।

About dhaka crimenews

Check Also

অনলাইন টেলিভিশনের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য অনলাইন টেলিভিশন (আইপিটিভি) বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *