Breaking News
Home / বিনোদন / ‘অসুস্থ, থেকেও বেঁচে আছি’

‘অসুস্থ, থেকেও বেঁচে আছি’


কাজী হায়াৎ

দেশের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী কাজী হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে বুধবার সন্ধ্যায়। কে বা কারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন গুজব ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এই পরিচালকের পরিবার। কাজী হায়াৎ নিজেও বিষয়টি জানতে পেরে খুব কষ্ট পেয়েছেন। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করতে বাধ্য হয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একটি ভিডিও বার্তা দেন।

কাজী হায়াৎ বলেন, ‘আমি হাসপাতালে আছি। অসুস্থ, তবে বেঁচে আছি। যারা মিথ্যা কথাটা ছড়িয়েছে তাদের আমি নিন্দা করি। কেন এই মিথ্যা কথা? আমি খুব কষ্ট পেলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন ভালো হয়ে বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারি।’ বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশের বরেণ্য চিত্রপরিচালক ও অভিনয়শিল্পী কাজী হায়াৎ। বর্তমানে এই গুণী মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে ভিডিও বার্তায় বাবার কথা বলার আগে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন কাজী হায়াতের ছেলে চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা ভালো আছেন। প্লিজ, কেউ অপপ্রচার চালাবেন না।’
জানা গেছে, হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কাজী হায়াতের ঘাড়ের একটি রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমানে কাজী হায়াৎ নিউইয়র্কের প্রেসবাইটেরিয়ান হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাবার জন্য দোয়া চেয়ে কাজী মারুফ বলেন, ‘আমার আব্বার জন্য সবাই দোয়া করবেন। তিনি যদি কখনো কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকেন, তবু তাঁর জন্য দোয়া করবেন। যেন তিনি সুস্থ হয়ে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন।’
গত বছরের মার্চে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে একবার চিকিৎসা নেন কাজী হায়াৎ। সম্প্রতি আবারও অসুস্থতা বোধ করছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয় তাঁর। এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে আবারও হৃৎপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিলে বরেণ্য এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পান তিনি।

About dhaka crimenews

Check Also

রাজধানীতে ভাড়ায় স্বামী বাণিজ্য!

ভাড়ায় স্বামী বাণিজ্য! তা আবার খোদ রাজধানীতেই। বিষয়টি ওপেন সিক্রেট হলেও বিশেষ করে ৩ ধরনের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *