Home / রাজনীতি / দুই শতাধিক আসনে মহাজোট-বিএনপির লড়াই হবে যাদের

দুই শতাধিক আসনে মহাজোট-বিএনপির লড়াই হবে যাদের

রিপোটার : আবদুল কালাম আজাদ

৯৬টি আসন ফাঁকা রেখে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। বাকি আসনগুলোর সব কটি শরিক দলগুলোকে দেওয়া হবে, এমন নয়। কিছু আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে শেষ দিন নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল শুনানির অপেক্ষায়। বাকিগুলো পাবে ২০ দল এবং ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা।

শুক্রবার বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ২০৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করার কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অবশ্য তিনি যেসব আসনে নাম ঘোষণা করেছেন, সেগুলো গুনে পাওয়া গেছে ২০৪ জনের নাম।

যেসব আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে তার মধ্যে তিনটি আসন দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানিতে স্থগিত করা হয়েছে মনোনয়ন। চূড়ান্ত কী আদেশ আসে, তা দেখে আসনগুলোতে প্রার্থী ঘোষণা করতে চায় বিএনপি।

এ ধরনের আসন রয়েছে আরো বেশ কিছু। তবে ফাঁকা রাখা আসনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাবে ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এর মধ্যে বেশ কিছু আসন কারা পাচ্ছে, সেগুলো আগেই বলে দেওয়া যায়।

এবার বিএনপি ২৯৫ আসনে আট শতাধিক নেতাকে দলের মনোনয়নের চিঠি দেয়। এদের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা করেন ৬৯৬ জন। আবার জোটের শরিকদের শতাধিক প্রার্থীও জমা করেন মনোনয়নপত্র। তফসিল অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বর রবিবারের মধ্যে প্রতিটি আসনে একজন করে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে হবে। সেদিন বাকিরা প্রত্যাহার করে নেবেন প্রার্থিতা।

মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে বলেন, ‘আপিল থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন অনেকে। এ কারণে আমাদের তালিকা চূড়ান্ত করতে বিলম্ব হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আপিল নিষ্পত্তির পর বাকি আসনগুলোর বিষয়ে জোট ও ঐক্যফ্রন্ট এবং যেগুলো এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এরপর আলোচনা করে শনিবার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

কোন আসনে কার সঙ্গে লড়াই: বিএনপি যেখানে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, সেখানে কার প্রতিদ্বন্দ্বী কে, সেটি স্পষ্ট হয়ে গেছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়-১ আওয়ামী লীগের মাজহারুল হক প্রধানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নওশদ জমির।

পঞ্চগড়-২ আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও-১ আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঠাকুরগাঁও-৩ ওয়ার্কার্স পার্টির (মহাজোট) ইয়াসিন আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাহিদুর রহমান।

এই জেলার আরেকটি আসন পাবে জামায়াত।

দিনাজপুর

দিনাজপুর-২ আওয়ামী লীগের খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাদিক রিয়াজ পিনাক।

দিনাজপুর-৪ আওয়ামী লীগের এইচ এম মাহমুদ আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আকতারুজ্জামান মিয়া।

দিনাজপুর-৫ আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

দিনাজপুর-১ এবং ৬ পাবে জামায়াত। বাকি আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির জন্য।

নীলফামারী

নীলফামারী-১ আওয়ামী লীগের আফতাব উদ্দিন সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল ইসলাম চৌধুরী।

এই জেলার বাকি তিন আসনের দুটি পাবে জামায়াত। একটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি।

রংপুর

রংপুর-২ আওয়ামী লীগের আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার। এখানে জাতীয় পার্টিরও প্রার্থী রয়েছেন।

রংপুর-৩ জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রিটা রহমান (শরিক)।

রংপুর-৪ আওয়ামী লীগের টিপু মুনসির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা। এখানেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছে।

রংপুর-৬ আওয়ামী লীগের শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম।

এই জেলার বাকি দুটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে জামায়াতের জন্য।

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম-১ জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান রানা।

কুড়িগ্রাম-৩ জাতীয় পার্টির আক্কাস আলী সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাজবিরুল ইসলাম।

কুড়িগ্রাম-৪ জেপির রুহুল আমিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুর রহমান।

বাকি আসনটিতে লড়াই করবে জামায়াত।

লালমনিরহাট

লালমনিরহাট-১ আওয়ামী লীগের মোতাহার হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান বিএনপির রাজিব প্রধান।

লালমনিরহাট-২ আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান মাহমুদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোকনউদ্দিন বাবুল।

লালমনিরহাট-৩ জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধা-৪ আওয়ামী লীগের মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক কবির আহমেদ।

গাইবান্ধা-৫ আওয়ামী লীগের ফজলে রাব্বী মিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার।

এই জেলার বাকি তিনটি আসনের একটিতে জামায়াত, একটিতে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) লড়াই করবে। একটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির জন্য

জয়পুরহাট

জয়পুরহাট-১ আওয়ামী লীগের শামসুল আলম দুদুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুর রহমান।

জয়পুরহাট-২ আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান।

বগুড়া

বগুড়া-১ আওয়ামী লীগের আবদুল মান্নানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম।

বগুড়া-৪ জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোশাররফ হোসেন।

বগুড়া-৫ আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জি এম সিরাজ।

বগুড়া-৩, ৬ ও ৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হবে শনিবার আপিল শুনানি শেষে। বগুড়া-২ আসনে ঐক্যফ্রন্টের শরিক মাহমুদুর রহমান মান্না হবেন প্রার্থী।

রাজশাহী

রাজশাহী-১ আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল হক।

রাজশাহী-২ ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু।

রাজশাহী-৩ আওয়ামী লীগের আয়েন উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল হক মিলন।

রাজশাহী-৪ আওয়ামী লীগের এনামুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু হেনা।

রাজশাহী-৫ আওয়ামী লীগের মনসুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম।

রাজশাহী-৬ আওয়ামী লীগের শাহরিয়ার আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাজাহান মিয়া।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের জিয়াউর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল ইসলাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগের আবদুল ওদুদের প্রতিদ্বন্দ্বী হারুন অর রশিদ। এই আসনে জামায়াতেরও একজন প্রার্থী আছেন।

নাটোর

নাটোর-১ আওয়ামী লীগের শহীদুল ইসলাম বকুলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামরুন্নাহার শিরীন।

নাটোর-২ আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম শিমুলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন ছবি।

নাটোর-৩ আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহমেদ পলকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দাউদার মাহমুদ।

নাটোর-৪ আওয়ামী লীগের আবদুল কুদ্দুছের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল আজিজ।

নওগাঁ

নওগাঁ-১ আওয়ামী লীগের সাধন চন্দ্র মজুমদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান।

নওগাঁ-২ আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামসোজ্জাহা খান।

নওগাঁ-৩ আওয়ামী লীগের সলিমউদ্দিন তরফদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী।

নওগাঁ-৪ আওয়ামী লীগের ইমাজউদ্দিন প্রামাণিকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হায়াত মোহাম্মদ শামসুল আলম প্রামাণিক।

নওগাঁ-৫ আওয়ামী লীগের নিজামউদ্দিন জলিল জনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু।

নওগাঁ-৬ আওয়ামী লীগের ইসরাফিল আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর কবির।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা।

সিরাজগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগের আবদুল আজিজের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মান্নান তালুকদার।

সিরাজগঞ্জ-৫ আওয়ামী লীগের আবদুল মোমিন ম-লের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিরুল ইসলাম খান।

সিরাজগঞ্জ-৬ আওয়ামী লীগের হাসিবুর রহমান স্বপনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া মজলিস।

বাকি দুই আসনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ-৪ পাবে জামায়াত। সিরাজগঞ্জ-২ ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির জন্য।

পাবনা

পাবনা-২ আওয়ামী লীগের আহমেদ ফিরোজ কবিরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব।

পাবনা-৩ আওয়ামী লীগের মকবুল হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কে এম আনোয়ারুল ইসলাম।

পাবনা-৪ আওয়ামী লীগের শামসুর রহমান শরিফ ডিলুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব।

বাকি দুই আসনের মধ্যে পাবনা-১ গণফোরাম এবং পাবনা-৫ পাবে জামায়াত।

খুলনা

খুলনা-১ আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমির এজাজ খান।

খুলনা-২ আওয়ামী লীগের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

খুলনা-৩ আওয়ামী লীগের বেগম মুন্নুজান সুফিয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল।

খুলনা-৪ আওয়ামী লীগের আবদুস সালাম মুর্শেদীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল।

জেলার বাকি দুটি আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে জামায়াতের জন্য।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা-১ ওয়ার্কার্স পার্টির মোস্তফা লুৎফুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

এই জেলার বাকি তিনটি আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে জামায়াতের জন্য।

বাগেরহাট

বাগেরহাট-১ আওয়ামী লীগের শেখ হেলাল উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শেখ মাসুদ রানা।

বাগেরহাট-২ আওয়ামী লীগের শেখ সারহান নাছের তন্ময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী এম এ সালাম।

জেলার বাকি দুটি আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে জামায়াতের জন্য।

যশোর

যশোর-১ আওয়ামী লীগের শেখ আফিল উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

যশোর-৩ আওয়ামী লীগের কাজী নাবিল আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

যশোর-৪ আওয়ামী লীগের রণজিৎ কুমার রায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির টি এস আইয়ুব।

যশোর-৬ ইসমত আরা সাদেকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ।

জেলার বাকি দুটি আসনের একটি জামায়াতের জন্য এবং একটি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা-১ আওয়ামী লীগের সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরিফুজ্জামান।

চুয়াডাঙ্গা-২ আওয়ামী লীগের আলী আসগর টগরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু।

মাগুরা

মাগুরা-১ আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান শিখরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোয়ার হোসেন খান।

মাগুরা-২ আওয়ামী লীগের বীরেন শিকদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী।

মেহেরপুর

মেহেরপুর-১ আওয়ামী লীগের ফরহাদ হোসেন দোদুলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ অরুণ।

মেহেরপুর-২ আওয়ামী লীগের সহীদুজ্জামান খোকনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাবেদ মাসুদ মিল্টন।

নড়াইল

নড়াইল-১ আওয়ামী লীগের কবিরুল হক মুক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম সাজ্জাদ হোসেন।

নড়াইল-২ আসন বিএনপি রেখেছে জোটের শরিক দলের জন্য।

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া-১ আওয়ামী লীগের আ ক ম সারোয়ার জাহানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা।

কুষ্টিয়া-৩ আওয়ামী লীগের মাহবুব উল আলম হানিফের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাকির হোসেন সরকার।

কুষ্টিয়া-৪ আওয়ামী লীগের সেলিম আলতাফ জর্জের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।

জেলার একটি আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে জোটের শরিক জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) এর জন্য।

ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহ-২ আওয়ামী লীগের তাহজিব আলম সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বীর বিএনপির আবদুল মজিদ।

ঝিনাইদহ-৪ আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আজিম আনারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

জেলার একটি আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে আপিল শুনানি এবং অপরটি জামায়াতের জন্য।

বরিশাল

বরিশাল-১ আওয়ামী লীগের আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন।

বরিশাল-২ আওয়ামী লীগের শাহে আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরফুদ্দীন আহমেদ সান্টু।

বরিশাল-৩ ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ টিপু সুলতানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জয়নুল আবেদীন।

বরিশাল-৪ আওয়ামী লীগের পংকজ দেবনাথের প্রতিদ্বন্দ্বী মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ।

বরিশাল-৫ আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামীমের প্রতিদ্বন্দ্বী মজিবুর রহমান সরোয়ার।

বরিশাল-৬ জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন খান।

পটুয়াখালী

পটুয়াখালী-১ আওয়ামী লীগের শাহাজান মিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

পটুয়াখালী-৩ আওয়ামী লীগের এস এম শাহজাদার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির গোলাম মাওলা রনি।

পটুয়াখালী-৪ আওয়ামী লীগের মহিবুর রহমান মুহিবের প্রতিদ্বন্দ্বী এবিএম মোশাররফ হোসেন।

এই জেলার একটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির অপেক্ষায়।

ভোলা

ভোলা-২ আওয়ামী লীগের আলী আজম মুকুলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাফিজ ইব্রাহীম।

ভোলা-৩ আওয়ামী লীগের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

ভোলা-৪ আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম।

ভোলা-১ আসনে লড়বেন বিএনপির জোটের শরিক আন্দালিব রহমান পার্থ।

ঝালকাঠি

ঝালকাঠি-১ আওয়ামী লীগের বজলুল হক হারুনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহজাহান ওমর।

ঝালকাঠি-২ আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জেবা আমিন খান।

পিরোজপুর

পিরোজপুর-৩ জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রুহুল আমিন দুলাল।

বাকি দুটি আসনের মধ্যে একটি জামায়াতকে এবং একটি লেবার পার্টিকে দেওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা

ঢাকা-২ আওয়ামী লীগের কামরুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইরফান ইবনে আমান।

ঢাকা-৩ আওয়ামী লীগের নসরুল হামিদ বিপুর প্রতিদ্বন্দ্বী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

ঢাকা-৪ জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ।

ঢাকা-৮ ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেননের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ।

ঢাকা-১০ আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মান্নান।

ঢাকা-১১ আওয়ামী লীগের এ কে এম রহমতউল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামীম আরা বেগম।

ঢাকা-১২ আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান মিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল আলম নীরব।

ঢাকা-১৩ আওয়ামী লীগের সাদেক খানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুস সালাম।

ঢাকা-১৬ আওয়ামী লীগের ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আহসানউল্লাহ হাসান।

ঢাকা-১৯ আওয়ামী লীগের এনামুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বাবু।

ঢাকা-২০ আওয়ামী লীগের বেনজীর আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তমিজ উদ্দিন।

ঢাকা ১, ৫, ৯, ১৪, ১৭ ও ১৮ ফাঁকা রাখা হয়েছে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে না পারায়।

ঢাকা-৬ ও ৭ দেওয়া হতে পারে গণফোরামকে আর ঢাকা-১৫ চায় জামায়াত।

নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম বাবুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ।

বাকি চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা যায়নি। একটি পেতে পারে ঐক্যফ্রন্টের শরিক নাগরিক ঐক্য।

মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ-১ নৌকা প্রতীকে বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান সিনহা।

মুন্সিগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগের মৃণাল কান্তির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল হাই।

গাজীপুর

গাজীপুর-১ আওয়ামী লীগের আ ক ম মোজাম্মেল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী।

গাজীপুর-২ আওয়ামী লীগের জাহিদ আহসান রাসেলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সালাহউদ্দিন সরকার।

গাজীপুর-৪ আওয়ামী লীগের সিমিন হোসেন রিমির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান।

গাজীপুর-৫ আওয়ামী লীগের মেহের আফরোজ চুমকির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক মিলন।

বাকি একটি আসন চায় ঐক্যফ্রন্টের শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের এ এম নাইমুর রহমান দুর্জয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ কে জিন্নাহ কবির।

মানিকগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের মমতাজ বেগমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাইনুল ইসলাম খান শান্ত।

জেলার আরেকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে শরিকদের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায়।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল-১ আওয়ামী লীগের আবদুর রাজ্জাকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরকার শহীদুল ইসলাম।

টাঙ্গাইল-২ আওয়ামী লীগের তানভীর হাসান ছোট মনির প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।

টাঙ্গাইল-৫ আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদুল হাসান।

টাঙ্গাইল-৬ আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটোর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির গৌতম চক্রবর্তী।

টাঙ্গাইল-৭ আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

জেলার বাকি তিনটি আসন চায় ঐক্যফ্রন্টের শরিক জনতা লীগ।

নরসিংদী

নরসিংদী-১ আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম হিরুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খায়রুল কবির খোকন।

নরসিংদী-২ আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মঈন খান।

নরসিংদী-৪ আওয়ামী লীগের নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

জেলার বাকি দুটি আসন চূড়ান্ত করতে না পারায় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

কিশোরগঞ্জ-৩

কিশোরগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রেজাউল করিম খান চুন্নু।

কিশোরগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের নুর মোহাম্মদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আখতারুজ্জামান।

কিশোরগঞ্জ-৪ আওয়ামী লীগের রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুর রহমান।

কিশোরগঞ্জ-৫ আওয়ামী লীগের আফজাল হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।

কিশোরগঞ্জ-৬ আওয়ামী লীগের নাজমুল হাসান পাপনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি শরীফুল আলম।

কিশোরগঞ্জ-৩ আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির অপেক্ষায়।

গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের ফারুক খানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এফই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর।

গোপালগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

গোপালগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম আফজাল হোসেন।

মাদারীপুর

মাদারীপুর-১ আওয়ামী লীগের নুর-ই আলম চৌধুরী লিটনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী।

মাদারীপুর-২ আওয়ামী লীগের শাজাহান খানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিল্টন বৈদ্য।

মাদারীপুর-৩ আবদুস সোবহান গোলাপের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।

শরীয়তপুর

শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুর রহমান কিরণ।

শরীয়তপুর-৩ আওয়ামী লীগের নাহিম রাজ্জাকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন অপু।

জেলার বাকি একটি আসন ফাঁকা রাখার কারণ স্পষ্ট নয়।

ফরিদপুর

ফরিদপুর-১ আওয়ামী লীগের মঞ্জুর হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ মো. আবু জাফর।

ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম। এখানে মহাজোটের প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ফরিদপুর-৩ আওয়ামী লীগের খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।

ফরিদপুর-৪ আওয়ামী লীগের কাজী জাফরউল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইকবাল হোসেন।

রাজবাড়ী

রাজবাড়ী-১ আওয়ামী লীগের কাজী কেরামত আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলী নেওয়াজ ওমর খৈয়াম।

রাজবাড়ী-২ আসনে আওয়ামী লীগের জিল্লুল হাকিমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাসিরুল হক সাবু।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ-২ আওয়ামী লীগের শরীফ আহম্মেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ শহীদ সরোয়ার।

ময়মনসিংহ-৩ আওয়ামী লীগের নাজিমউদ্দিন আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আহমদ তায়েবুর রহমান হিরণ।

ময়মনসিংহ-৫ আওয়ামী লীগের কে এম খালিদ বাবুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাকির হোসেন বাবলু।

ময়মনসিংহ-৬ আওয়ামী লীগের মোসলেম উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামসুদ্দিন আহমেদ।

ময়মনসিংহ-৭ আওয়ামী লীগের রুহুল আমিন মাদানীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জয়নুল আবেদীন।

ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খুররম খান চৌধুরী।

ময়মনসিংহ-১১ আওয়ামী লীগের তাজিমউদ্দিন আহমেদ ধনুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।

ময়মনসিংহ-১, ৪, ৮ ও ১০ আসন ফাঁকা রাখার কারণ স্পষ্ট নয়।

শেরপুর

শেরপুর-১ আওয়ামী লীগের আতিউর রহমান আতিকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিলা জেবরিন।

শেরপুর-২ আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোখলেছুর রহমান রিপন।

শেরপুর-৩ আওয়ামী লীগের এ কে এম ফজলুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল।

নেত্রকোণা

নেত্রকোণা-১ আওয়ামী লীগের মানু মজুমদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কায়সার কামাল।

নেত্রকোণা-২ আওয়ামী লীগের আশরাফ আলী খান খসরুর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ারুল হক।

নেত্রকোণা-৩ আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী।

নেত্রকোণা-৪ আওয়ামী লীগের রেবেকা মমিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাহমিনা জামান।

জেলার আরেকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে জোটের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায়।

জামালপুর

জামালপুর-২ আওয়ামী লীগের ফরিদুল হক খানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু।

জামালপুর-৩ আওয়ামী লীগের মির্জা আজমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

জামালপুর-৪ মুরাদ হাসানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম।

জামালপুর-৫ আওয়ামী লীগের মোজাফফর হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন।

জেলার অপর একটি আসন ফাঁকা আপিল শুনানির জন্য।

সিলেট

সিলেট-৩ আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফি আহমেদ চৌধুরী।

সিলেট-৪ আওয়ামী লীগের ইমরান আহমদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম।

সিলেট-১ ও ২ আসন ফাঁকা প্রার্থী চূড়ান্ত করতে না পারায় আর বাকি দুটি জামায়াতের জন্য।

হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগের আবু জাহিরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জি কে গউছ।

এই জেলার বাকি তিনটি আসনের একটি গণফোরামের জন্য, একটি খেলাফত মজলিস এবং একটি ফাঁকা রাখা হয়েছে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে না পারায়।

সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জ-১ আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজির হোসেন।

সুনামগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের জয়া সেনগুপ্তার প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন চৌধুরী।

সুনামগঞ্জ-৪ জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান মেসবাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুল হক আসপিয়া।

সুনামগঞ্জ-৫ আওয়ামী লীগের মহিবুর রহমান মানিকের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান চৌধুরী।

জেলার বাকি একটি আসন রাখা হয়েছে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের জন্য।

মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার-১ আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাসিরউদ্দিন আহমেদ।

মৌলভীবাজার-৩ আওয়ামী লীগের নেছার আহম্মেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাসের রহমান।

মৌলভীবাজার-৪ আওয়ামী লীগের আবদুস শহীদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

জেলার বাকি একটি আসনে ভোটে লড়বেন ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আওয়ামী লীগের র আ ম উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খালেদ হোসেন মাহবুব।

জেলার বাকি চারটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে না পারায়।

কুমিল্লা

কুমিল্লা-১ আওয়ামী লীগের সুবিদ আলী ভুঁইয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

কুমিল্লা-২ আওয়ামী লীগের সেলিমা আহমদ মেরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

কুমিল্লা-৩ আওয়ামী লীগের ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মুজিবুল হক।

কুমিল্লা-৮ জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন।

কুমিল্লা-৯ আওয়ামী লীগের তাজুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম আনোয়ারুল আজিম।

বাকি ছয়টি আসনের একটিতে এলডিপি, একটিতে জামায়াত, একটিতে জেএসডি নির্বাচন করবে। বাকি তিনটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি।

চাঁদপুর

চাঁদপুর-১ আওয়ামী লীগের মহীউদ্দীন খান আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোশাররফ হোসেন।

চাঁদপুর-২ আওয়ামী লীগের নুরুল আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জালালউদ্দিন আহমেদ।

চাঁদপুর-৪ আওয়ামী লীগের শফিকুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল হান্নান।

চাঁদপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মমিনুল হক। এখানে মহাজোটের প্রার্থী ঘোষণা হয়নি এখনো।

জেলার বাকি দুটি আসনের একটি আসন দাবি করছে গণফোরাম।

নোয়াখালী

নোয়াখালী-১ আওয়ামী লীগের এইচ এম ইব্রাহীমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুব উদ্দিন খোকন।

নোয়াখালী-২ আওয়ামী লীগের মোর্শেদ আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক।

নোয়াখালী-৩ আওয়ামী লীগের মামুনুর রশিদ কিরণের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু।

নোয়াখালী-৪ আওয়ামী লীগের একরামুল করিম চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শাহজাহান। নোয়াখালী-৫ আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদেরের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মওদুদ আহমদ।

নোয়াখালী-৬ আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদৌসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুল আজিম।

লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুর-২ জাতীয় পার্টির এম এ নোমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল খায়ের ভুঁইয়া।

লক্ষ্মীপুর-৩ আওয়ামী লীগের এ কে এম শাহজাহান কামালের প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

জেলার বাকি দুটি আসনের একটি এলডিপি এবং একটিতে জেএসডি লড়াই করবে।

ফেনী

ফেনী-২ আওয়ামী লীগের নিজামউদ্দিন হাজারীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জয়নাল আবেদীন।

ফেনী-৩ জাতীয় পার্টির মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আকবর হোসেন।

বাকি আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে আপিল শুনানির জন্য।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম-১ আওয়ামী লীগের মোশাররফ হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুল আমিন।

চট্টগ্রাম-২ তরীকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিমউল্লাহ বাহার।

চট্টগ্রাম-৪ আওয়ামী লীগের দিদারুল আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইসহাক চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৬ আওয়ামী লীগের এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জসিম উদ্দিন শিকদার।

চট্টগ্রাম-৭ আওয়ামী লীগের হাছান মাহমুদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কুতুবউদ্দিন বাহার।

চট্টগ্রাম-৯ আওয়ামী লীগের মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন।

চট্টগ্রাম-১০ আওয়ামী লীগের আফসারুল আমিনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল্লাহ আল নোমান।

চট্টগ্রাম-১১ আওয়ামী লীগের এম আবদুল লতিফের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১২ আওয়ামী লীগের শামসুল হক চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এনামুল হক।

চট্টগ্রাম-১৩ আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সারোয়ার জামাল নিজাম।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। এখানে মহাজোটের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়নি।

চট্টগ্রাম ৩ ও ৮ আপিল শুনানির জন্য, চট্টগ্রাম-৫ কল্যাণ পার্টি, ১৪ এলডিপি এবং ১৫ রাখা হয়েছে জামায়াতের জন্য।

কক্সবাজার

কক্সবাজার-১ আওয়ামী লীগের জাফর আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসিনা আহমেদ।

কক্সবাজার-৩ আওয়ামী লীগের সাইমুম সরোয়ার কমলের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির লুৎফর রহমান কাজল।

কক্সবাজার-৪ আওয়ামী লীগের শাহীনা আক্তার চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী।

কক্সবাজার-২ ফাঁকা রাখা হয়েছে জামায়াতের জন্য।

রাঙামাটি: আওয়ামী লীগের দীপংকর তালুকদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনি স্বপন দেওয়ান।

বান্দরবান: বীর বাহাদুর উসৈ সিংয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সা চিন প্রু।

খাগড়াছড়ি: কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শহীদুল ইসলাম ভুঁইয়া।

About dhaka crimenews

Check Also

৩০ ডিসেম্বর সবাই নৌকায় ভোট দেব : সাকিব

উইন্ডিজ সিরিজের মাঝেই আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আসন্ন জাতীয় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *