Home / রাজনীতি / ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে কী কী থাকছে

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে কী কী থাকছে

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ঘোষণা করে হবে ১৭ ডিসেম্বর। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমনটাই জানিয়েছেন৷ তবে কেমন হবে ইশতেহার সেটি বড় প্রশ্ন ভোটারদের।

ঐক্যফ্রন্ট বড় ধরনের পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে ইশতেহার প্রণয়ন করেছে বলে জানিয়েছেন ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী।

ইশতেহারে কী থাকছে এমন প্রশ্নে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, প্রথম ২ বছর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশের আমূল পরিবর্তনে কাজ করা হবে। ইশতেহারের প্রথম কথাই হলো কোনো প্রতিহিংসা নয়। কাউকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়া নয়। কেউই পরপর দুইবার প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকতে পারবেন না।

‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্থানের ব্যাপারে- কেউ পরপর দুই বার প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না৷ আর প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যকার ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা হবে। এককভাবে কেউ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না৷

সংবিধানের সংস্কার- একটি উচ্চ কক্ষ থাকবে। এরাই নির্বাচনকালীন সরকারের সাথে সম্পৃক্ত হবে। বিরোধী দলের সংখ্যাধিক্য থাকবে। বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার রাখা হবে।’

তিনি বলেন, নারীদের সংরক্ষিত আসন ১৫ থেকে কমিয়ে ১০ ভাগ করা হবে। তবে ২০ ভাগ নির্বাচিত হবেন। ফলে সংসদে নারীর অংশগ্রহণ ৩০ভাগ হবে। জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকবে।

‘ইশতেহারে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা থাকবে- দেশকে ৮ বা ১০টি প্রদেশে ভাগ করা, অথবা ১৭টি স্টেটে ভাগ করা।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে ভালো হাসপাতাল স্থাপন কর হবে। প্রথম ১০০ দিনে ওষুধের দাম অর্ধেকে নেমে আসবে। হাসপাতালের খরচ কমবে।

২ বছরে ২০০ জন সুপার স্পেশালিস্ট ডাক্তার তৈরি হবেন, যারা গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত থাকবেন। প্রত্যেকেটি ইউনিয়নে হেলথ সেন্টারে দু’জন করে ডাক্তার থাকবেন।

হাইকোর্টের আপীলে ৪টি ভাগ থাকবে- ফৌজদারি, সিভিল, কোন্পানি ও শেয়ার, সাংবিধানিক।। চারটি স্থায়ী শাখা।

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে নীতি হবে- সবার সাথে বন্ধুত্ব। মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা হবে। ভারতের সাথে বন্ধুত্ব থাকবে। তবে ভারতকে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

ইশতেহার অনুযায়ী প্রথম দুই বছর এসব সংস্কার করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বাস্তবায়ন করা গেলে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে৷

তিনি বলেন, বিচারহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা হবে। র্যাবের জবাবদিহীতা আসবে।

‘যারা বিদেশে অবস্থান করে তারা যদি দেশে স্কুল কলেজ করতে চায় তাদের সহযোগিতা করা হবে। বিদেশে যারা পরিশ্রম করেন৷ তাদের দেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা কক্ষ থাকবে। বিদেশে কোউ মারা গেলে দেশে এনে মর্যাদার সঙ্গে দাফন করা হবে।’

ডা. জাফরউল্লাহ বলেন, এটি মূলত খসড়া ইশতেহার। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ সবকিছু দেখার পর চূড়ান্ত করবেন।

About dhaka crimenews

Check Also

৩০ ডিসেম্বর সবাই নৌকায় ভোট দেব : সাকিব

উইন্ডিজ সিরিজের মাঝেই আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আসন্ন জাতীয় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *