Home / ক্রাইম নিউজ / রেলওয়ের দুর্নীতিবাজ ড্রাইভার শফিউল্লা অনৈতিক পথে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

রেলওয়ের দুর্নীতিবাজ ড্রাইভার শফিউল্লা অনৈতিক পথে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

বেলায়েত হোসেন (ক্রাইম রির্পোটার)
বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ব্রিটিশ আলম থেকে এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি সরকারকে সুনামেরসহিত জোগান দিয়ে আসছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের কারনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এমনি একজন ড্রাইভার শফিউল্লা। বাংলাদেশ রেলওয়ের শীর্ষস্থানীয় দুর্নীতিবাজ ড্রাইভারদের মধ্যে অন্যতম এমনি অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। অনৈতিকতাকে আশ্রয় করে তিনি আজ বিশাল সম্পদের মালিক। রাজধানী ও নিজ এলাকায় তিনি সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এমন অনেক প্রমান পাওয়া গেছে। সংবাদের সার্থে সরোজমিনে তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। মহাখালী আরজত পাড়ায় শেফালী কুঞ্জ নামে বিশাল পাচঁ তলা ভবন। ৯৪, অারজতপাড়া, নতুন আরো একটি নির্মানাধিন ভবন (রাজুকের অনুমিত ছাড়াই নক্সা বহিরভুত) রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজুক) প্রথমে কাজ বন্ধ রাখলেও পরে ঠিকই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শফিউল্লা। লোকের কাছে বলে বেড়াচ্ছে টাকার কাছে সবাই কাত। দোতালার কাজ শেষ আরো কাজ চলমান। ঢাকার পাশে পুবাইলের মাজুখানে আড়াই কাঠার উপর বাড়ি, নিজ গ্রাম নোয়াখালীর জেলার হাজিগঞ্জ থারার হাজিপুর গ্রামে নামে বেনামে বিশাল সম্পদের পাহাড় করেছেন শফিউল্লা । বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, বাংলাদেশ রেলওয়ে ড্রাইভারী চাকুরী নেওয়ার পর থেকে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মকর্তার ড্রাইভার হয়েছেন এর মধ্যে সবচেয়ে বেশীর ভাগ সুযোগ পেয়েছেন সাবেক ডিজি সাগর বাবুর সময়। এই সময়টাতেই দৈত্যরাজ এর বদৌলতে আলাদিনের চেরাগ পেয়ে জান শফিউল্লা। আজ সেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে সে বিশাল জায়গা সম্পদের মালিকবনে জান। পরিবার পরিজনদের আচ্ছাদিত করেছেন মেকি অাভিজাত্যের আবরনে। বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক হয়ে তিনি এখন ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। ড্রাইভার হয়েও সে এখন নিজস্ব প্রাইভেট কারের মালিক গাড়ী নাম্বার (ঢাকা মেট্রো-১৫-২৩৩৪)। তার ব্যাংক এ্যকাউন্ট চেক করলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসার সম্বাবনাই বেশী। তার আসপাশে জারা বসবাস করেন তাদের কাউকে পাত্তাই দিচ্ছেন না। প্রতিবেদক এই সব অবৈধ বাড়ি, গাড়ি টাকার উৎস জানেত চাইলে “চা পানের আমন্ত্রন জানান এবং সংবাটি বন্ধ রাখার অনুরোধ করেন” শফিউল্লা। এত জায়গা সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব আমার শশুর বাড়ির দেওয়া। আমার নিজের কিছুই নাই। তার ১০৮, অপজাত পাড়াঅথচ পাড়া, প্রতিবেশীর তথ্যমতে এসবের সবকিছুর মালিক শফিউল্লা। তিনি নিজের নামে না করে দুদোকেরর হাত থেকে বাচতে স্ত্রী, ছেলে/মেয়ে, কিছু কিছু শশুর/শাশুড়ির নামে করেছেন। শফিউল্লা বর্তমানে প্রোজেক্ট ডাইরেক্টর (পিডি) শহিদুল্লার গাড়ি চালান, তাও আবার নিজে না। ডেলি ব্যাসেস লোক দিয়ে। নিজে বাসায় বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুপারভাইজ করেন। মাস শেষ বেতন তুলে সেই ডেলি ব্যাসেস ড্রাইভারেন বেতন পরিশোধ করেছেন। তার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অনীহা থাকলে ও দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুর্নীতির ব্যাপারে শোচ্চার থাকলেও এসব দুর্নীতিবাজরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছ। নামে বে নামে এই সম্পদ কোথা থেকে এলো বিষযটা দুর্নীতি দমন কমিশন কতৃক তদন্ত হওয়া দরকার। অভিযুক্ত শফিউল্লার ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন সঠিক তদন্ত হলে তার আসল পরিচয় বেড়িয়ে আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। অসমাপ্ত।

About dhaka crimenews

Check Also

তাড়াশে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের প্রতিনিদি সুমন: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গুল্টা আদিবাসী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *