Home / ক্রাইম নিউজ / মা হত্যাকারী টুম্পা চার দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি

মা হত্যাকারী টুম্পা চার দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি

ক্রাইম রিপোটার যুবরাজ:
রড দিয়ে আঘাত করে মাকে হত্যাকারী মাদকাসক্ত মেয়ে টুম্পা খাতুনকে গত চার দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকে চার বছরের পুত্রসন্তানকে নিয়ে পালাতক রয়েছেন তিনি। তবে সেলফোন ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে তাকে খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত ১০ সেপ্টেম্বর পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা গ্রামের মাদকাসক্ত টুম্পা খাতুনের রডের আঘাতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মা মমতাজ বেগম (৪৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। উক্ত ঘটনার আগেও উচ্ছৃঙ্খল জীবনের বিরোধিতা করায় টুম্পা মাকে মারধর করেন বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়।

উল্লেখ্য, টুম্পা খাতুন সাতক্ষীরার সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিনের ছেলে রাশেদ সরোয়ার রুমনের সাবেক স্ত্রী। তাদের চার বছরের সিরায়েস নামে একটি ছেলে রয়েছে। দুই বছর আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর থেকে মাদকাসক্ত হয়ে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন শুরু করেন টুম্পা।
ঘটনার দিন টুম্পার চাচাকে নিয়ে তালার ইসলামকাটি রেজিস্ট্রি অফিসে পারিবারিক একটি জমি বিক্রির কাজে যান মমতাজ বেগম। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে বচসা হয় টুম্পার। একপর্যায়ে তিনি মায়ের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন। হত্যার পর প্রথমে মা হার্টঅ্যাটাকে মারা যান বলে প্রচার করেন টুম্পা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মমতাজ বেগমের স্বামী আব্দুস সবুর সরদার মারা যান কয়েক বছর আগে। তাদের একমাত্র ছেলে শরীফও মাদকাসক্ত। বিবাহ বিচ্ছেদের পর টুম্পা খাতুনও মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। তিনি প্রায় নিয়মিতই বিভিন্ন মাদক গ্রহণের পাশাপাশি ইয়াবা সেবন করতেন। এ নিয়ে পরিবারটির মধ্যে অশান্তি ছিল।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম জানান, গৃহবধূ মমতাজ হত্যার ঘটনায় বুধবার রাতে পাটকেলঘাটা থানায় এসআই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে টুম্পা খাতুনকে আসামি করে হত্যামামলা দায়ের করেন। টুম্পাকে গ্রেপ্তারে পুলিশী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তার সেলফোন ট্রাকিং করা হচ্ছে। তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে ওসি আশা ব্যক্ত করেন।

About dhaka crimenews

Check Also

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬২৫০টি মামলা

স্টাফ রিপোটার:ব্যস্ততম ঢাকায় কে কার আগে ছুটবে তারই যেন প্রতিযোগিতা। ছুটে চলার এই শহরে কেউ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *