Breaking News
Home / Uncategorized / আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চলবে মোবাইল কোর্ট

আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চলবে মোবাইল কোর্ট

অনলাইন ডেস্ক : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা লিভ টু আপিলের শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৬ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে এই লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত থাকবে বলেও জানিয়েছেন আদালত।

এর ফলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত আপাতত চলতে বাধা নেই বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম দেশে না থাকায় এ বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

গত বছরের ১১ জুন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই আইনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণাও করা হয়।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

পরে রাষ্ট্রপক্ষের কয়েক দফা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায়ের কার্যকারীতা স্থগিত রাখেন আপিল বিভাগ। এরই মধ্যে এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ওই আপিলের শুনানি শুরু হয় গত ৩ জানুয়ারি। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে আবাসন কোম্পানি এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভলপমেন্টের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খানকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এরপর ১১ অক্টোবর ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) কয়েকটি ধারা ও উপধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন তিনি।

রিটের শুনানি নিয়ে একই বছর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। আদালতের জারি করা রুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ৫ ধারা এবং ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০, ১১, ১৩, ১৫ ধারা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে এ ধরনের আরও দু’টি রিট করা হয়। তিন রিটে মোট ১৯ আবেদনকারীর শুনানি শেষে গত ১১ মে রায় ঘোষণা করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে এ আদেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে প্রেরণ করে আদেশ দেন। একই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের রায় প্রকাশ হলে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিল করারও নির্দেশ দেয়া হয়।

About dhaka crimenews

Check Also

৮টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হতে পারে

এম আই মিন্টু- ঢাকা ক্রাইম নিউজঃ নিবন্ধন পেতে আগ্রহী রাজনৈতিক দলের মধ্যে আরো আটটি দল ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *